প্রতিবেদক: Raisul Islam Shohag | ক্যাটেগরি: বৃহত্তর কুমিল্লা | প্রকাশ: 27 Sep 2025, 12:09 PM
কুমিল্লায় গ্রীষ্ম ও শীতকালীন আগাম টমেটো চাষে সফল কৃষক মোবারক
নিজস্ব প্রতিবেদক
অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের সঠিক ও ন্যায্যমূল্য এবং সরকারি সহায়তা পেলে মোবারকের মতো কৃষকেরা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে উন্নতমানের ফসল উৎপাদন করে অনেক দূর এগিয়ে যাবে।
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার অখ্যাত গ্রাম কোরপাই এলাকায় মালচিং পদ্ধতিতে গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ করে সাড়া ফেলে দিয়েছেন কৃষক মোবারক। একইভাবে তিনি আগাম শীতকালীন টমেটো চাষেও সফল। সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে এই দু প্রকারের চাষাবাদ করে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করেছেন। বর্তমানে তিনি গ্রীষ্ম ও আগাম শীতকালীন টমেটোর গ্রাফটিং করা চারা বিক্রি করাও শুরু করেছেন।
বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের কোরপাই গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে মোবারক হোসেন। ২০২২ সালে তিনি প্রথম টমেটো চাষে আগ্রহী হন। তিনি জানান, পাশ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে আমদানী করে আনা টমেটো বাজারজাত করণ দেখে তার এই আগ্রহ সৃষ্টি হয়। এঅবস্থায় প্রথমে মৌলভীবাজার জেলা থেকে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে করা গ্রীষ্মকালীন টমেটোর চারা সংগ্রহ করেন। কিছুদিন পর মৌলভীবাজার থেকে গ্রাফটিংয়ে পারদর্শী ১০ জন কৃষককে নিজ এলাকায় এনে বানিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে ভারত থেকে আগাম শীতকালীন টমেটোর বাঁজ এনে সেটার উৎপাদনও শুরু করেন তিনি। বর্তমানে কৃষক মোবারকের খামারে সর্বমোট ২৬/২৭ জন কর্মচারী কর্মরত আছেন। সরেজমিন ফসলী মাঠ ঘুরে দেখা যায়, দু'ভাগে বিভক্ত টমেটোর জমি প্রায় সাড়ে তিন একর করে দুটি প্লট প্রতিটি প্লটে বর্তমানে গ্রীষ্মকালীন টমেটোর ফলন সংগ্রহ করা হচ্ছে। সেখানে প্রায় ২৫ হাজার গাছ গাছ রয়েছে। গত জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে রোপন করা চারা থেকে দু'মাসের মধ্যেই ফসল আহরন শুরু হয়। প্রতিদিন গড়ে প্রতিটি প্লট থেকে ২৫ কেজি ওজনের দুই প্লট থেকে প্রায় ৭০/৮০টি প্লাস্টিকের বক্স ব্য ক্যারেট টমেটো সংগ্রহ করা হয়।প্রথম দিকে ১৪০/১৫০ ঢাকা প্রতি কেজি টমেটো বিক্রয় করা গেলেও ভারতীয় টমেটো আমদানী শুরু হওয়ায় মূল্যে অনেকটা কমে আসে। ফলে বর্তমানে সর্বনিম্ন ৯০ টাকা থেকে ১১০ টাকা প্রতি কেজিতে মূল্য পাওয়া যাচ্ছে। বাগানে ফল আহরণ করা শ্রমিক কুড়িগ্রামের নজির হোসেন ও সহিদুল ইসলাম জানান, টমেটো সংগ্রহের পর আমরাই দেশের অন্যতম বৃহৎ কাচাবাজার নিমসারে পাইকারদের কাছে পৌঁছে দেই। এতে আমাদের সুবিধা হয়।
মোবারক কর্মরত সকল শ্রমিকদেরকে মাসিক বেতনের পাশাপাশি বাসস্থানেরও সুযোগ করে দিয়েছেন। একদিকে যখন গ্রীষ্মকালীন ফলন সংগ্রহ করা হচ্ছে, অন্যদিকে আগাম শীতকালীন চারাও পরিচর্যা চলছে সমান তালে। সেখানেও বর্তমানে প্রায় ২৮ হাজার চারা নিবিড় পরিচর্যায় বড় হচ্ছে।
এই সংবাদটি শেয়ার করুন
অন্যান্য খবর
১৯ জেলায় ঝড়-বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত
দেশের ১৯ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘণ্টায় সর্বোচ...
ঢাকা মেডিক্যালে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্...
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের (ঢামেক) ৮০ বছর পূর্তি ও ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্...
বেলজিয়ামের হৃদয় ভেঙে সেমিফাইনালে স্পেন
স্পেন ২-১ বেলজিয়ামশেষ মুহূর্তে প্রতিপক্ষের হৃদয় ভাঙার কাজটা তিনিই করবেন—এমন পণ করেই যেন বদলি নামেন ম...
প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ১৩৩ বই পরিমার্জন, আসছে চার নতুন বই
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক ব...
তিতাসে ৫৯ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক
নাজমুল করিম ফারুককুমিল্লার তিতাস উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রায় ৫৯ শতাংশই দীর্ঘদিন ধরে...
দাউদকান্দিতে পাঁচ আসামি গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক,দাউদকান্দিকুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে ১৬০০০ পিস ই...