প্রতিবেদক: Raisul Islam Shohag | ক্যাটেগরি: বৃহত্তর কুমিল্লা | প্রকাশ: 21 Sep 2026, 8:16 AM
সরকারি চাকরি পেয়ে চাঁদপুরে স্বামীকে তালাক
চাঁদপুর প্রতিনিধি
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে প্রবাসী স্বামীর অর্থে পড়াশোনা করে সরকারি চাকরি পাওয়ার সাত মাস পর স্বামীকে তালাক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।জেলার শাহরাস্তি উপজেলার উনকিলা গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী সাইফুল ইসলাম খোকনের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদাউস সরকারি চাকরি পেয়েই তার স্বামীকে তালাক দিয়েছেন। বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে স্ত্রীর প্রভারগার প্রতিকার চেয়ে আদালতে মামলা করেন প্রবাসী সাইফুল ইসলাম। ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, পারিবারিকভাবে ২০১৬ সালে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিবাহের আগ থেকেই খোকন মালয়শিয়ায় প্রবাসী জীবন অতিবাহিত করে আসছে। বিবাহের পর জীবিকার তাগিদে আবারও মালয়শিয়া চলে যান। সাইফুল ইসলাম প্রবাসে থাকা অবস্থায় তার স্ত্রী পড়াশোনা করতে তার স্বামীর কাছে বায়না ধরেন। এর প্রেক্ষিতে তার স্বামী তাকে একটি কলেজে ভর্তি করে দেন।পড়াশোনা শেষ করে সরকারি চাকরি পাওয়ার আশায় তার স্ত্রীকে ঢাকাতে নিয়ে কোচিং সেন্টারে ভর্তি করা হয়। প্রায় ৪ বছর ঢাকায় থেকে কোচিং করার পর ২ জানুয়ারি ২০২৬ এাগ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় অফিস সহকারী হিসেবে নিয়োগ পান জান্নাতুল ফেরদাউস।চাকরি পাওয়ার পর থেকে স্বামী- স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে। বিষয়টি নিয়ে সাইফুল ইসলামের কাছে সন্দেহের সৃষ্টি হলে তিনি কাউকে না জানিয়ে ১ জুলাই দেশে ফিরে এসে সরাসরি স্ত্রীর অফিসে গিয়ে হাজির হন। স্ত্রীর সঙ্গে দেখা হওয়ার পর তাকে অপেক্ষায় রেখে জান্নাতুল ফেরদাউস চলে যায়।সাইফুল ইসলাম ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন। বিষয়টি নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে জানালে পারিবারিকভাবে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। এর কয়েক দিনের মধ্যেই সাইফুলের বাড়িতে স্ত্রীর দেওয়া তালাকের নোটিশ পৌঁছে। উপায়ন্ত না পেয়ে সাইফুল তার গচ্ছিত অর্থ ও সম্পদ এবং এর প্রতিকার চেয়ে চাঁদপুর আদালতে মামলা দায়ের করেন। সাইফুল জানায়, স্ত্রীর আবদার রক্ষার্থে তিনি লেখাপড়াসহ সকল ধরনের সহযোগিতা করেছেন। তার উপার্জিত অর্থের অধিকাংশ তার স্ত্রীর পেছনে ব্যয় করেছেন। তিনি এখন নিঃস্ব হয়ে ফিরে এসেছেন। এবিষয়ে জান্নাতুল ফেরদাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার ভাই ফয়সাল আহমেদ জানান, আমার বোনের অভিযোগ সাইযুমল বিদেশে থাকাকালে তার খোঁজখবর রাখতেন না। এ কারণে জান্নাত তাকে তালাক দিয়েছেন। তবে জান্নাতের লেখাপড়া, কোচিং, ঢাকায় বাসাভাড়া এবং থাকা-খাওয়ার খরচ সাইফুলের টাকায় করেছে।
এই সংবাদটি শেয়ার করুন
অন্যান্য খবর
অপ্রতীম হত্যায় চার অভিযুক্তকে আদালতে সোপর্দ
কুমিল্লা প্রতিনিধি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযো...
মোবাইল ছিনিয়ে নিতেই নির্জন পাহাড়ি জঙ্গলে নিয়ে অপ্রতিমকে হত্য...
আয়েশা আক্তারকুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ১৩ বছর বয়সী ছেলে...
অপ্রতিমকে হারিয়ে মায়ের আহাজারি আমার রুহটাও চলে গেলে, আমার ফ...
মাহফুজ নান্টু কুমিল্লা।। অপ্রতিম, আমার রুহটাও নিয়া গেলা তুমি। আমার ফড়িংটা ছবি তুলতে পছন্দ করত।...
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে অপ্রতিমের প্রথম জানা...
কুবি প্রতিনিধি:কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে, হ...
প্রথমে তুহিন পরে ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের লাঠি দিয়ে অপ্রতীমের ম...
মাহফুজ নান্টু কুমিল্লা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছ...
বুড়িচংয়ে সেচ পাম্পের তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ব...
মো.জাকির হোসেন। কুমিল্লার বুড়িচংয়ে সেচ পাম্পের বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে...