প্রতিবেদক: Raisul Islam Shohag | ক্যাটেগরি: বৃহত্তর কুমিল্লা | প্রকাশ: 7 Aug 2025, 11:28 AM
ব্রাহ্মণপাড়ার আবু জাহের ফাউন্ডেশন কলেজে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণবার্ষিকী
নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণপাড়া
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার মাধবপুর আলহাজ্ব মুহাম্মদ আবু জাহের ফাউন্ডেশন কলেজের উদ্যোগে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৪তম প্রয়াণবার্ষিকী পালিত হয়েছে। বুধবার (৬ আগস্ট) দুপুরে কলেজ মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিচারণের আয়োজন করা হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা রবীন্দ্র সঙ্গীত পরিবেশন পরিবেশন করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাধবপুর আলহাজ্ব মুহাম্মদ আবু জাহের ফাউন্ডেশন কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দ আবদুল কাইয়ুম। সঞ্চালনা করেন প্রতিষ্ঠানটির সমাজকর্মের প্রভাষক শারমিন নোরেন রিমা।
উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক গোলাপ খান, প্রতিষ্ঠানটির প্রভাষক পাপিয়া আক্তার, নাজমুন নাহার, মো. শামীনুল ইসলাম, মো. কামরুল হাসান ভূইয়া, তাহমিনা আক্তার, সাদিয়া ইসলাম, মো. সালাহ উদ্দিন রনি, মো. হোসেন আহম্মেদ, মো. ইব্রাহিম খলিল, মো. মাজহারুল ইসলাম, শারমিন আক্তার, হাজেরা আক্তার, মো. মিনহাজুল ইসলাম, মো. মোরশেদ আলম ও মো. আল নূর সহ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দ আবদুল কাইয়ুম বলেন, বর্ষা ছিল কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রিয় ঋতু। বর্ষাতেই পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে পরলোকে যাত্রা করেছিলেন বাঙালি মনন–সৃজনের এই অসাধারণ প্রতিভা। আজ ২২ শ্রাবণ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৪তম প্রয়াণবার্ষিকী। ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ২২ শ্রাবণ কলকাতার জোড়াসাঁকোর পৈতৃক বাড়িতে তাঁর জীবনাবসান হয়েছিল।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সৃজনপ্রতিভা বাংলা কাব্য, উপন্যাস, ছোটগল্প, প্রবন্ধ, নাটক, ভ্রমণ, চিঠিপত্র, শিশুসাহিত্যসহ বাংলা সাহিত্যকে স্বর্ণময় উজ্জ্বলতা দান করেছেন। গীত রচনা ও সুরস্রষ্টা হিসেবে তিনি নিজেই নিজের তুলনা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিক্ষাবিস্তার, সাংগঠনিক কর্ম ও সমাজকল্যাণমূলক কাজেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি কৃষক ও পল্লি উন্নয়নের জন্য চালু করেছিলেন কৃষিঋণব্যবস্থা।
তিনি বলেন, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও সারদা সুন্দরী দেবী দম্পতির ১৫ সন্তানের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন ১৪তম। কলকাতার বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারের জোড়াসাঁকোর বাড়িতে তাঁর জন্ম ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ। ঠাকুর পরিবার তখন ছিল মর্যাদা ও সংস্কৃতিচর্চায় বিশেষ খ্যাতির অধিকারী। সেই পরিবেশ শৈশবেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মনকে মুক্ত করে দিয়েছিল। পরবর্তীকালে বিশেষত বাংলার পদ্মা, মেঘনা, যমুনায় নৌকায় ভ্রমণের মধ্য দিয়ে তিনি নিসর্গ ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার অভিজ্ঞতা প্রত্যক্ষ করেছিলেন, যার প্রভাব তাঁর সাহিত্যে বিপুলভাবে পড়েছে।
সৈয়দ আবদুল কাইয়ুম আরও বলেন, ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল পুরস্কার বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বসাহিত্যের দরবারে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করে। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধেও কবির গান সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছে। তাঁর গান আমাদের জাতীয় সংগীত। সব মিলিয়েই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বাঙালির হৃদয়ে অম্লান হয়ে আছেন।
এই সংবাদটি শেয়ার করুন
অন্যান্য খবর
চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষা...
বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপল-এ চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী...
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৩৫
ভেনেজুয়েলায় পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩৫ জনে। এ ছাড়া আহত হয়েছেন দে...
মা ও 3 মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ৭ বছর আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী কামাল হোসেনকে হারিয়ে ৩ মেয়ে ও একমাত্র ছেলেকে ন...
কুরাসাওকে হারিয়ে আইভরি কোস্টের ইতিহাস
ইতিহাস গড়তে আইভরি কোস্টের প্রয়োজন ছিল ১ পয়েন্ট। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে তাই কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ড্র ক...
পবিত্র আশুরা আজ
আজ শুক্রবার পবিত্র আশুরা, ১৪৪৮ হিজরি সনের ১০ মহররম। ইসলামী ইতিহাসে দিনটি একই সঙ্গে আনন্দ, কৃতজ্ঞতা ও...
ব্রাজিলের রাউন্ড অব ৩২-এর প্রতিপক্ষ নিশ্চিত
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব শেষ হওয়ার আগেই নকআউট পর্বের একটি আকর্ষণীয় লড়াই নিশ্চিত হয়ে গেছে। রাউন্ড অব ৩২-...